৬৭ বছর বয়সী রাজিয়া বেগমের জীবনটা যেন নিঃশব্দ কষ্টের এক গল্প। এই পৃথিবীতে তার আপন বলতে কেউ নেই। স্বামী অনেক আগেই মারা গেছেন, আর তার কোনো ছেলে-মেয়েও নেই যে শেষ বয়সে তার পাশে দাঁড়াবে।
একাই একটি ছোট ভাঙা ঘরে কোনোমতে থাকেন তিনি। জীবন চালানোর জন্য প্রতিদিন তাকে মানুষের বাড়িতে কাজ করতে হয়। কারো বাড়ির উঠান লেপে দেন, কারো কাপড় ধুয়ে দেন, আবার কারো জন্য ধান বা চাল কুটে দেন। সারাদিন কষ্ট করে কাজ করলে কেউ একটু খাবার দেয়, কেউ একটু টাকা দেয়—এভাবেই তার দিন চলে।
কিন্তু আজ তার শরীর আর আগের মতো নেই।
রাজিয়া বেগম জরায়ুতে গুরুতর সমস্যায় ভুগছেন। ডাক্তার বলেছেন অপারেশন করতে হবে। কিন্তু অপারেশনের খরচ তো দূরের কথা, প্রতিদিনের ওষুধ কেনার টাকাও তার কাছে নেই।
অসুস্থ শরীর নিয়েই তাকে কাজ করতে হয়। কারণ যদি কোনো দিন কাজ করতে না পারেন, তাহলে সেই দিন তার খাবারও জোটে না।
এই বয়সে যেখানে মানুষের একটু বিশ্রাম দরকার, সেখানে রাজিয়া বেগম এখনও অন্যের বাড়িতে কাজ করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন।
তার এখন খুব দরকার চিকিৎসা, খাবার এবং থাকার ঘরটা একটু মেরামত করা।
আজ তিনি কারও সাহায্যের অপেক্ষায় আছেন—যেন কেউ একটু সহানুভূতি দেখায়, কেউ একটু পাশে দাঁড়ায়।
হয়তো আপনার সামান্য সাহায্যই এই একাকী বৃদ্ধা নারীর জীবনে বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে রাজিয়া বেগমের পাশে দাঁড়াই।
আপনার ছোট্ট সহযোগিতাই তার জীবনে একটু নিরাপত্তা আর বেঁচে থাকার আশা এনে দিতে পারে।